শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
আউশের বাম্পার ফলনে চালের দাম কমতে শুরু করেছে : খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন হাজারীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ খাদ্যমন্ত্রীর মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে কোনো ধান নেই: খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষার আলো সর্বত্র পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবার বর্তমান সরকারের অনুদান পেয়েছেঃ খাদ্যমন্ত্রী গ্রামে-গঞ্জেও ডিজিটাল সেবা পৌঁছে গেছেঃ খাদ্যমন্ত্রী সরকারের প্রণোদনা কাজে লাগাতে হবেঃ খাদ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম কারাগারের ৮ হাজার বন্দি পাচ্ছেন ফাইজারের টিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৪১ হাজার ল্যাপটপ কিনছে সরকার জাপানে রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ
মিমাংসা করার কথা বলে নিয়ে এসে বিপ্লবের উপর অতর্কিত হামলা

মিমাংসা করার কথা বলে নিয়ে এসে বিপ্লবের উপর অতর্কিত হামলা

অনুসন্ধানমুলক রির্পোট
বরেন্দ্র নিউজ ডেস্কঃ পর্ব-১
——
ঘটনার সুত্রপাতঃ বিপ্লবের ৮বছরের ছেলে ঘরের বাইরে গেল সবসময় পাশের বাড়ীর সমবয়সী বাচ্চারা বিভিন্ন নামে তাকে ডাকে যেমন, ভোদল, কোদল, হাড়ী, কলসী ইত্যাদি। বাচ্চা তার মাকে এসে বলে আমাকে ঐ ছেলেরা সব সময় ভোদল, কদল, হাড়ী, কলসি নামে ডাকে। বাচ্চার মা ছেলেকে বলে তোমার বাবা আসলে বাবাকে বলো। বিপ্লব বাড়ীতে আসলে বাচ্চা তার বাবাকে বলে ঐ ছেলারা আমাকে হাড়ী, ভোদল, কোদল, কলসি নামে ডাকে। ছেলে নিয়ে বিপ্লব দুলালের দোকানে গেলে সেখানে বিপ্লব ঐ বাচ্চাদের বলে বাবু এর নাম রাকিবুল হাসান এর নাম ভেদল, কদোল নয়। এরই মধ্যে ঘরের মধ্য থেকে জৈনক দুলার নামের ব্যক্তি বলছে তোমার ছেলেও এদের গালি দেন। কথা কাঁটাকাটির এক পর্যায়ে দুলাল বিপ্লবকে খামচা দেয়, বিপ্লব দুলালকে চড় মারতে গেলে পাশে থাকা বাবলু নামের ব্যক্তির গায়ে লাগে। লোকজন জমায়েত হলে সেখান থেকে যে যার যার বাড়ীতে চলে যায়।

দ্বিতীয় পর্ব
———
এই ঘটনার ১৫ মিনিট পর কথিত সাংবাদিক নাহিদুল ইসলাম নাহিদ ১০/১২ লোকজন নিয়ে বিপ্লবের বাড়ীর উপর চড়াও হয়, এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ সহ অকথ্য ভাষায় গালি করলে বিপ্লব পুলিশ হেলপ লাইন ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ চলে আসে এবং বিপ্লব থেকে সব ঘটনা শুনে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়ে চলে যায়। এরই মধ্যে কথিত সাংবাদিক নাহিদুল ইসলাম নাহিদ বিপ্লবের নামে নিজেকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট নিউজ তৈরী করে অনলাইনে পোষ্ট করে।

পর্ব-৩
—–
আনুমানিক রাত ৮.০০ টার সময় বিপ্লব থানায় লিখিত অভিযোগ করার উদ্দেশ্যে রওনা দিলে পথিমধ্যে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ হাবিবুর রহমান হাবিব ও মাহমুদুল হাসান খোকন বিপ্লবকে ফোন মিমাংসা করে দেয়ার কথা বলে দুলালের দোকানে ডাকে। বিপ্লব থানায় না গিয়ে তাদের কথামত দুলালের দোকানে উপস্থিত হলে
বিচারকগন মিমাংমার কাজ শুরু করবেন এমন সময় হঠাৎ করে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ পিছন থেকে অতর্কিত মারধর শুরু করে বিপ্লবকে। এক পর্যায়ে আঃ খালেক ও তাহার ৩/৪ ভাই মিলে বিপ্লব মারতে থাকে এবং বিপ্লব সেখানেই জ্ঞান হারায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিতপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়। এখান বিচারকবৃন্দ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
(৪র্থ ও শেষ পর্বের জন্য অপেক্ষা করুণ।)

স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | বরেন্দ্র সমাচার.কম
ডিজাইন ও তৈরী করেছেন- হাবিবুর রহমান নীল